
গাজীপুরের টঙ্গীতে প্রথম শ্রেণির এক শিশুকে (৭) যৌন নিপীড়নের ঘটনায় টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছে এবং এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুরের টঙ্গীর আউচপাড়া এলাকার ‘ক্বারিউল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা’র ভাইস প্রিন্সিপাল মো. মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ওই মাদরাসারই ৭ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন ও ভয় দেখানোর অভিযোগ ওঠে। এর জেরে শিশুটি ভয়ে কয়েকদিন মাদরাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয় এবং পরে পরিবারের কাছে ঘটনাটি প্রকাশ করে।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন জানান, প্রাথমিক তদন্তে শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনা যৌন নিপীড়নের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। শিশুটির বাবার দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পাল্টাপাল্টি অভিযোগ: ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত স্থানীয় জনতা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গণধোলাই দেয়, যা পরে পুলিশ গিয়ে নিয়ন্ত্রণে নেয় ও শিক্ষককে হেফাজতে নেয়। এদিকে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের দাবি—এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একদল লোক মাদরাসায় হামলা, ভাঙচুর, শিক্ষক-কর্মচারীদের মারধর এবং অফিস থেকে ১৭ লাখ টাকা ও মোবাইল লুট করেছে, যা নিয়ে তারা পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে শিশুটির বাবা চুরির এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।