
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি বলেছেন, অতীতে সমাজের সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির করালগ্রাসে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছিল। ঠিকাদারদের পাশাপাশি কিছূ শিক্ষকও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত বাংলাদেশের উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুর্ণীতি ছিল সবচেয়ে বড় বাধা। দুর্নীতি ও দেশপ্রেমের অভাবের কারনে একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি। এখন সময় এসেছে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের ফলে নতুন বাংলাদেশকে একটি দুর্ণীতিমুক্ত দেশ হিসেবে আমরা গড়ে তোলতে চাই। বর্তমান বাংলাদেশকে একটি আধুনিক ও মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলতে চাই, সেই লক্ষ্যে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সকল ধর্মের লোকজন একজন মানুষ হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাড়াতে চাই, আর তারই সারথী হচ্ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। ছাত্ররাই আগামীর বাংলাদেশের ভবিষ্যত।
তিনি বলেন, দেশকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করতে সারা দেশে ছাত্ররাই নেতৃত্ব দিয়েছিল। ছাত্ররাই নিজের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ফ্যাসিস্টমুক্ত করে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলেছে এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে।
তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে হবিগঞ্জের স্থানীয় শিল্পকলায় ‘শিক্ষাঙ্গন থেকে জাতীয় ভাবনা’ শিক্ষার মান উন্নয়ন শীর্ষক মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।
হবিগঞ্জে জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আলহাজ্ব জি কে গউছ, পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ, হবিগঞ্জ সরকারী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আবদুল মজীদ।
অনুষ্ঠানে স্পিকার আরো বলেন, ঝড়ে পড়া ছাত্ররা্ই কিশোর গ্যাং হিসেবে গড়ে উঠে। এর মূল কারন হলো তারা সুশিক্ষায় শিক্ষা গ্রহন করতে পারে না।
তিনি বলেন, কোন ছাত্রী যাতে রাস্তায় ইভটিজিং এর স্বীকার না হয় সে জন্য প্রতিটি গালস স্কুলের সামনে সাদা পোশাকধারী পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আজকের ছাত্র-ছাত্রীরাই আগামীতে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবেন।
তিনি পরে সন্ধ্যায় স্পিকার একজন আইনজীবির শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
হবিগঞ্জ প্রতিবেদক
29.10.26