
রংপুরের মিঠাপুকুরে দীর্ঘদিনের পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে চাচার হাতে ভাতিজাকে বেধড়ক মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নের শালমারা বাজারে।
ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে পায়রাবন্দ ইউনিয়নের বিরাহিমপুর গ্রামের সুবোধ মহন্তের ছেলে বাঁধন মহন্ত তার আপন চাচা অমল মহন্তের কাছে দীর্ঘদিনের পাওনা ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাইতে শালমারা বাজারে তার বসার ঘরে যান।
এ সময় পাওনা টাকা নিয়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে অমল মহন্ত ক্ষিপ্ত হয়ে সহযোগীদের নিয়ে বাঁধন মহন্তকে দড়ি দিয়ে বেঁধে প্রায় তিন ঘণ্টা আটকে রাখেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তার হাত, পা, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারপিট করে গুরুতর জখম করা হয়।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে বাঁধন মহন্তকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় বাঁধন মহন্তের মা বিউটি রানী বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, অমল মহন্ত তাকে ও তার ছেলেদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ পুনরায় মারপিট ও জীবননাশের হুমকি দিচ্ছেন। এতে তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।
তবে এসব ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে অমল মহন্ত বলেন, তার ভাতিজা তাকেই মেরেছে। আমি নির্দোষ।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।