
ভারতের মহারাষ্ট্রে নাসিক জেলায় নিফাদ নগর পঞ্চায়েতের প্রধান কর্মকর্তার কার্যালয়ে ঢুকে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিবসেনা (ইউবিটি) যুবসেনার নেতাকর্মীরা। এলাকায় বাড়তে থাকা বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কর্মকর্তার টেবিলের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় কয়েকটি কুকুর। খবর এনডিটিভির।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, যুবসেনার জেলা প্রধান বিক্রম রনধাভে একটি বস্তা খুলে প্রধান কর্মকর্তা ধীরাজ ভামরের টেবিলের ওপর একটি ছোট কুকুর ছেড়ে দেন। আচমকা কুকুর দেখে চেয়ার থেকে সরে যান কর্মকর্তা। পরে কুকুরটি ভয়ে অফিসের এক কোণে চলে যায়।
এর কিছুক্ষণ পর আরও একটি কুকুর বস্তা থেকে বের করে দেওয়া হয়। সেটি কর্মকর্তার টেবিলের ওপর দিয়ে হেঁটে গিয়ে একটি কোণে বসে পড়ে। পরে রনধাভে ২০ রুপির নোট দিয়ে তৈরি একটি মালা গলায় পরেন। একই ধরনের নোটের মালা কর্মকর্তার টেবিলেও রাখা হয়। এ সময় কর্মকর্তার সঙ্গে নেতাকর্মীদের বাগবিতণ্ডা হয়।
রনধাভের অভিযোগ, গত ছয় মাস ধরে নিফাদ এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রধান কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তার দাবি, একটি শিশুকে কুকুর কামড়েছে। এছাড়া পথচারী ও নারীদেরও কুকুর তাড়া করছে।
এনডিটিভিকে রনধাভে বলেন, বারবার ছবি ও তথ্য দিয়ে বিষয়টি জানানোর পরও ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রতিবাদের অংশ হিসেবে তিনি কর্মকর্তার অফিসে চারটি কুকুর নিয়ে যান। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধান কর্মকর্তা বিভিন্ন টেন্ডারের কাজ নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকায় কুকুরের সমস্যা গুরুত্ব পাচ্ছে না।
রনধাভে বলেন, ‘আগামী আট দিনের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে আবারও কর্মকর্তার কার্যালয়ে কুকুর ছেড়ে দেওয়া হবে।’ গণেশ উৎসব চলায় মন্দিরে প্রার্থনা করতে যাওয়া মানুষদের কুকুর তাড়া করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।