
সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সমন্বিতভাবে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে রংপুর রেঞ্জের আওতাধীন ৮ জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের কার্যক্রম নিয়ে সমন্বয় সভা বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রংপুর জেলা পুলিশ কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুর রেঞ্জ ডিআই জি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ।
এ সময় অ্যাডিশনাল ডিআইজি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স- ঢাকা মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন, এবং রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকসহ বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় রংপুর রেঞ্জের আওতাধীন রংপুরসহ ৮ জেলার বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশের চলমান কার্যক্রম এবং বিভিন্ন বিশেষায়িত ইউনিটের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ইউনিটের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় আরও জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। অপরাধ সংঘটনের আগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, গোয়েন্দা তথ্যের কার্যকর ব্যবহার, অপরাধপ্রবণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বৃদ্ধি এবং অপরাধের ধরন ও পরিস্থিতি অনুযায়ী দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রেঞ্জের প্রতিটি জেলার সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তা পরিকল্পনা ও মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থান ও পরিস্থিতি চিহ্নিত করে আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিট সমূহকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এছাড়া ‘কুইক রেসপন্স টিম’ এর কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কিউআরটি সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় রংপুর রেঞ্জের ৮ জেলার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সমন্বয় আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। কোনো একটি এলাকায় উদ্ভূত পরিস্থিতি যেন দ্রুত শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সব ইউনিটের সমন্বিত সক্ষমতা কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের দায়িত্বশীলতা, পেশাদারিত্ব ও দ্রুত সাড়া প্রদানের সক্ষমতা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত নজরদারি, অপরাধ দমন এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
রংপুর অফিস
০১৭২৬৭৬০১৮৯