
রংপুরের কাউনিয়ায় ডেঙ্গুর থাবায় আতঙ্ক ছড়ালেও স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ পর্যন্ত ৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে অন্তত একজন স্থানীয়ভাবে আক্রান্ত হলেও তার পরিচয়, ঠিকানা কিংবা প্রজননস্থল সম্পর্কে কোনো তথ্যই দিতে পারছে না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। রোগীদের সঠিক তালিকা না রেখে দায়সারাভাবে তথ্য সংরক্ষণের কারণে পুরো উপজেলায় সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকিতে ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী।
জানা গেছে, ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থান থেকে জ্বর নিয়ে আসা ব্যক্তিদের পরীক্ষায় ডেঙ্গু ধরা পড়লেও মাঠপর্যায়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ আহসান হাবীব লোক দেখানো সচেতনতার কথা বললেও বাস্তবে সচেতনতামূলক কিংবা প্রতিরোধমূলক তৎপরতা শূন্যের কোঠায়।
অন্যদিকে গত ১২ সেপ্টেম্বর জাঁকজমকভাবে তিন মাসব্যাপী ‘জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’ উদ্বোধন করা হলেও ইউনিয়ন পর্যায়ে মশক নিধনের কোনো অস্তিত্বই নেই। পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনের নামে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ কোথায় এবং কীভাবে হাওয়া হয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে চরম প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহল অবিলম্বে আক্রান্তদের সঠিক তথ্য চিহ্নিতকরণ সহ ইউনিয়ন পর্যায়ে কার্যকর মশক নিধন অভিযান নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।