রোববার (৭ জুন) রাজ্যের উত্তরবঙ্গ সফরকালে শিলিগুড়ি পৌরসভার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এই ঘোষণা দেন উপ-মুখ্যমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। পরে শহরকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে নতুন সরকারের সিদ্ধান্তের কথা সাংবাদিকদের জানান পৌর ও নগর উন্নয়ন বিষয়ক এই মন্ত্রী।
অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলা যাবে না, পানের পিক ফেলা যাবে না। রাস্তা নোংরা করলেই ফাইন হবে। রাস্তায় ময়লা প্লাস্টিক ফেলাতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। শপিংমলে গেলে ভদ্র কিন্তু রাস্তায় নামলে আমরা অভদ্র কেন?
এ সময় তিন শব্দ দূষণ রোধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
bsf
নারী-শিশুদের বন্দুকের মুখে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ: এপিডিআর
পৌর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, নাগরিকদের অভ্যাস শোধরানোর জন্য এবং সচেতনতা বাড়াতে নগরোন্নয়ন দপ্তরের পক্ষ থেকে আগামী তিন মাস সময় দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, সেপ্টেম্বরের পরেও যত্রতত্র থুতু ফেলা হলে মোটা টাকার জরিমানা দিতে হবে।
ক্ষমতায় আসার পরেই শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে রাজ্যে স্বচ্ছ অ্যাপ চালু করেছে বিজেপি সরকার। কোথাও নোংরা দেখলেই ছবি তুলে এই অ্যাপে আপলোড করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে জনগণকে। সংশ্লিষ্ট পৌরসভা সেই ছবি দেখে পরিষ্কার অভিযান চালাবে। অভিযোগকারী ও পরিষ্কারকারীকে অ্যাপের মাধ্যমেই জানানো হবে যে, সমস্যার সমাধান করা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান কার্যকর আইন অনুযায়ী রাস্তায় থুতু ফেললে সাধারণত জরিমানা দিতে হয় ৫০০ টাকা।
শহরগুলোকে পরিষ্কার ও আবর্জনামুক্ত রাখতে গত শুক্রবার ২৪ দফা নির্দেশনা জারি করেছে রাজ্যের পৌর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেখানে-সেখানে থুতু ফেলা বা আবর্জনা ফেলা যাবে না। প্রথম তিন মাস এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানোর প্রচার চালানো হবে। এরপর ১ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়ম ভাঙলে জরিমানা করা হবে।
এ ছাড়া খোলা অবস্থায় কোনো বর্জ্যবাহী গাড়ি চলতে পারবে না। মন্দিরের ফুলও যত্রতত্র ফেলা যাবে না। রাস্তা ও ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। রাজ্যের ১১৯টি পৌরসভা, সাতটি পুরনিগম (মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন) এবং দুটি নোটিফায়েড এরিয়া অথরিটির এলাকায় এসব নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।