গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মোছা. সারমিন খানম (২৫) ও তাঁর স্বামী সোহাগ মৃধা (৩১)। তাঁদের স্থায়ী বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়। তাঁরা বর্তমানে ঢাকার মিরপুর-১ এলাকায় বসবাস করেন বলে ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে। সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
ডিএনসি বগুড়া জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোববার বিকেল ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী দলের সদস্যরা শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে অভিযান চালান।
এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। বাসটির এফ-১ ও এফ-২ আসনে বসা দুই যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে ইয়াবাগুলো উদ্ধার করা হয়। ডিএনসির দাবি, সারমিন খানমের দুই পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে কালো স্কচটেপ দিয়ে বিশেষ কৌশলে ইয়াবার প্যাকেটগুলো লুকানো ছিল।
উদ্ধার করা ইয়াবার মধ্যে ডান পায়ের হাঁটুর নিচে লুকানো ২০টি প্যাকেটে ৪ হাজার পিস এবং বাম পায়ের হাঁটুর নিচে লুকানো ১৯টি প্যাকেটে ৩ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ছিল। সব মিলিয়ে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবার ওজন ৭৮০ গ্রাম বলে জানিয়েছে ডিএনসি।
এ সময় তাঁদের কাছ থেকে মাদক বহনে ব্যবহৃত দুটি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন, দুটি সাদা রঙের অ্যাংলেট ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়।
ডিএনসি জানায়, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, বগুড়া।