দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, কর্মনিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে সবার হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া উপজেলা খাদ্যগুদামের লেবার সর্দার মোঃ নাজমুল হক আর নেই।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন নাজমুল হক। অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন এই কর্মঠ মানুষটি। তাঁর মৃত্যুতে উপজেলা খাদ্যগুদাম, মিল মালিক, ডিলারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
নাজমুল হকের মৃত্যুতে উপজেলা মিল মালিক সমিতির সভাপতি মিনহাজুর রহমান হেনা ও সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
মরহুম নাজমুল হকের কর্মজীবনের স্মৃতিচারণ করে মেসার্স দুই ভাই চাউল কলের প্রোপ্রাইটর ওয়াহেদুল ইসলাম বলেন, নাজমুল হক শুধু একজন কর্মচারী ছিলেন না, তিনি ছিলেন সংশ্লিষ্ট সবার আপনজন। দীর্ঘদিনের কর্মজীবনে মিলার, ডিলার, খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং খাদ্যগুদামে সেবা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে তিনি অত্যন্ত আন্তরিকতা ও সুন্দর আচরণে কাজ করেছেন।
তিনি বলেন, “নাজমুল হকের কর্মনিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও মানুষের সঙ্গে সুন্দর ব্যবহার কখনোই ভুলে যাওয়ার নয়। তাঁর চলে যাওয়া আমাদের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও অপূরণীয় ক্ষতি।”
একজন দায়িত্বশীল ও সদালাপী মানুষ হিসেবে নাজমুল হকের যে সুনাম ছিল, তাঁর মৃত্যুতে সেই স্মৃতিই এখন সহকর্মী ও পরিচিতজনদের মনে বারবার ফিরে আসছে। কর্মক্ষেত্রে তাঁর দীর্ঘদিনের আন্তরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করে অনেকেই গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ওয়াহেদুল ইসলাম মরহুম নাজমুল হকের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন—আল্লাহ যেন তাঁর জীবনের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন, তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি ও ধৈর্য দান করেন।