রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার বড়ুয়াহাট কেরামতিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদের নামে জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের সরকারি চিকিৎসা সহায়তার ১৫ হাজার টাকার বরাদ্দের নামের তালিকায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় নিয়মিত মাদ্রাসা পরিচালনা করছেন।
জানা গেছে, সরকার থেকে সাধারণ অসচ্ছল ও জটিল রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তবে সুস্থ থাকা সত্ত্বেও ওই তালিকায় অধ্যক্ষের নাম ও অনুদান অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় চরম অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। প্রকৃত অসচ্ছল ও অসুস্থদের বঞ্চিত করে একজন সুস্থ ব্যক্তি কীভাবে এই সহায়তার আওতায় এলেন, তা নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
তবে বিষয়টি অস্বীকার করে অধ্যক্ষ আব্দুর রশিদ বলেন, “আমি বা আমার কোনো শিক্ষার্থী এই সহায়তার জন্য আবেদন করিনি। কারা আমার নাম ব্যবহার করে আবেদন করেছে তা জানা নেই। বিষয়টি জানতে পেরে টাকা বিতরণ বন্ধ রাখতে জেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি।”
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি সহায়তার অর্থ বণ্টনের ক্ষেত্রে রোগীদের শারীরিক অবস্থা ও কাগজপত্র নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। একই সঙ্গে এই জালিয়াতি ও অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান তারা।